চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায়।
চাকরিজীবী মানুষের আয়টা নির্দিষ্ট থাকে। বর্তমান দুর্মূল্য বাজারে শুধুমাত্র চাকরি করে জীবনযাপন করতে হিমশিম খাচ্ছেন অনেকেই। স্বচ্ছলতা সবাই চায়। মাস গেলেই একটা নির্দিষ্ট অংকের অর্থ পান য়ারা, তাদের জন্য সচ্ছল জীবন যাপন একটা স্বপ্নই মাত্র। তবে চাইলে সেই স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব। বাড়তি উপার্জন মানে একটু বেশি স্বচ্ছন্দো থাকা আর নিজের ইচ্ছাগুলোর ও স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাওয়া। আপনি নিজের মেধা কে কাজে লাগে চাকরির পাশাপাশি সামান্য কিছু সময়ে আরো কিছু উপার্জন করতে পারেন। তবে সততার সাথে চাকরি করে চাকরির পাশাপাশি কিছু আয় করা যায়।
হুট করে কোন কাজ শুরু করার আগে সঠিক পরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের উপায় খোঁজার আগে আপনাকে নিজের বর্তমান অবস্থান বিশ্লেষণ করতে হবে। প্রথমেই ঠিক করুন যে আপনি প্রতিদিন সপ্তাহে কতটুকু বাড়তি সময় পান কারণ আপনার মূল চাকরি ঠিক রাখা আপনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যদি দিনে ৪থেকে ৫ ঘন্টা সময় দিতে পারেন তাহলেই ব্লক কি আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ ।
পোস্ট সূচিপত্র :চাকরির পাশাপাশি বাড়তি উপায় সম্পর্কে
- অনলাইন কাজের ব্যাপারে রিসার্চ করা।
- সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
- ডিজিটাল মার্কেটিং কি।
- অ্যাফিলেট মার্কেটিং কি।
- ই-মেইল মার্কেটিং কি।
- গ্রাফিক্স ডিজাইন কি।
- SEOকি।
অনলাইন কাজের ব্যাপারে রিসার্চ করা
অনেক ফ্রী লাইনে জব আছে যা আপনি সহজেই ৩ থেকে ৪ঘন্টা সময় দিলেই চাকরির পাশাপাশি করতে পারবেন। এগুলো প্রথমে আপনাকে রিসার্চ করতে হবে যেমন ব্লগিং, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, এফিলিট মার্কেটিং,ইউটিউব মার্কেটিং, ফেসবুক মার্কেটিং, SEO, অনলাইনে প্রোডাক্ট বিক্রয় এরকম আর অনেক কাজ রয়েছে যেগুলো কাজে চাকরির পাশাপাশি করা যায় ইতিমধ্যে যেকোনো একটি কাজে আগ্রহী হতে পারেন।
আপনি যে কাজ করবেন বা করতে চান তা শুরু করুন। আবার আপনার কাজের পাশাপাশি অনলাইন জব করতে পারেন। যেমন স্টুডেন্ট হলে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিদিন ৩থেকে ৪ঘন্টা সময় দিন কাজ শুরু করে দিন। প্রথমদিকে আপনার কাছে একটু কঠিন মনে হতে পারে। কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি একটা সময় পর ইনকাম শুরু করতে পারেন।
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং
সোশ্যাল মিডিয়া ব্যাপারে আমরা কমবেশি সবাই জানি। আপনার যদি ফেসবুক, টুইটার,ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকে তাহলে আপনি এই কাজ করতে পারেন। বিশেষ করে আপনার যদি ফেসবুক পেজ খোলা, ফেসবুক পোস্ট করা, ফানি ভিডিও বানানো, রিলস ভিডিও সেট করা, পেজে পোস্ট প্রমোশন করা। ইত্যাদি কাজের দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি এই কাজ করতে পারেন। আপওয়ার্ক মার্কেটপ্লেসে এ ধরনের প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। আপনি এইসব পার্ট টাইম জব করতে পারেন।
অবশ্যই পড়ুন :ফেসবুক রিলস থেকে ইনকাম করার উপায়।
ডিজিটাল মার্কেটিং কি।
বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং শব্দটি অনেক পরিচিত এই শব্দটি মূলত ২০০০সাল থেকে এটির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ অনেক। এর শুরু যদি বলতে হয়। তাহলে বলতে হবে মার্কিনী যখন রেডিও আবিষ্কার করে তখন থেকে। অবাক হচ্ছেন? ডিজিটাল মার্কেটিং যুগে থেকে অ্যানালগ যুগের কথা বলছি তবুও ১৩০ বছর আগের। যখন রেডিও আবিষ্কার হয় এবং তা সাধারণ মানুষ পর্যন্তু যেতে ১০সময় লেগেছিল কিন্তু নির্মাতা জানতে পারছিলো এটি মার্কেটিং জগতের এক বিপ্লব আনতে যাচ্ছে। কিন্তু এভাবেই মার্কেটিং এর পরিবর্তে এনে দেয়।
ডিজিটাল মার্কেটিং এর উৎপত্তি তখন থেকেই অথচ আমরা শুধু মোবাইল, ফেসবুক, ইউটিউব কে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যম ভেবে থাকি। ডিজিটাল মার্কেটিং হল আমাদের প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন ডিজিটাল চ্যানেলের মাধ্যমে প্রচার হওয়া কে বুঝায়, সেটা হতে পারে রেডিও, টিভি চ্যানেল, সোশাল মিডিয়া, ওয়েবসাইট, মোবাইল অ্যাপ, সার্চ ইঞ্জিন বা অন্য কোন ডিজিটাল মাধ্যমকে। সহজ ভাষায় বলে ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে যে কাজগুলো করা হয় তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং?
ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্যতম একটি শাখা হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। অনলাইনে নিজের বিজনেস শুরু করতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। অন্য কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিস যদি আপনার মাধ্যমে সেল হয় তাহলে কোম্পানি আপনাকে একটা কমিশন দিবে, বর্তমানে এর চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। বড় বড় কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে সেল করছে।আপনিও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে কাজ শুরু করে কমিশন আয় করতে পারেন।
ই-মেইল মার্কেটিং কী
সম্ভাব্য ক্রেতার কাছে ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে যে মার্কেটিং করা হয় সেইটি ইমেইল মার্কেটিং। আপনি দেখবেন আপনার মেইল বক্সে এ প্রতিদিন বিভিন্ন কোম্পানির ইমেইল আসে। কিন্তু তারা আপনার আগ্রহের প্রোডাক্ট সম্পর্কে কিভাবে জানে কি ভাবছেন। আপনার কাছে থাকাই ইলেকট্রনিক ডিভাইসটি এমন একটি জিনিস যেটি আপনার ভাবনা চিন্তা বা যে যে বিষয়ে সার্চ করেন সেসব বিষয় বেশি আসে। এইজন্য ক্রেতার ইমেল তারা পেয়ে থাকে প্রোডাক্ট অফার করা ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ। খুব সহজ আপনিও এটি শিখেআয় করতে পারেন। আশা করি ইমেইল মার্কেটিং সম্পর্কে একটা ধারণা দিতে পেরেছি।
গ্রাফিক্স ডিজাইন কি ?
গ্রাফিক্স ডিজাইন হল সৃজনশীলতা ও কৌশল ব্যবহার করে দৃশ্যমান মাধ্যমে কোন বার্তা বা ধারণা প্রকাশ করা । যা শিল্পের লোগো, টি শার্ট ডিজাইন, ওয়েবসাইট বিজ্ঞাপন, প্যাকেজিং সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট থেকে শুরু করে বইয়ের কভার পর্যন্ত সবকিছুতেই গ্রাফিক ডিজাইনের ব্যবহার করা হয়। এসব কারণে গ্রাফিক্স ডিজাইনের এর গুরুত্ব দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।
তাই আপনি যদি সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন যে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেন তাহলে অবশ্যই এটি আপনার জীবনের নেওয়া অন্যতম একটি সিদ্ধান্ত হতে পারে। আপনি বিভিন্ন বড় বড় কোম্পানিতে একজন ভালো দক্ষ গ্রাফিক ডিজাইনার হতে পারে। এছাড়াও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ডিজাইনের প্রয়োজন হয়।গ্রাফিক ডিজাইন শিখে এগুলোর উপর স্কিল তৈরি করুন।
SEO কী
একটি কটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ করাকে SEOবলে। অপটিমাইজ করা বলতে মূলত সার্চ ইঞ্জিনের কিছু রিকোয়ারমেন্ট থাকে যা ঠিকমতো করতে পারলেই শুধুমাত্র আপনার কনটেন্ট seoঅপটিমাইজ হবে। ইন্টারনেটে এখন কোটি কোটি কনটেন্টের পরিপূর্ণ। প্রতিদিন কোটি কোটি সার্চ হয়ে থাকে। এত এত কন্টেন্ট-এর ভিড়ে আপনার কনটেন্ট পিছনে যেতে পারে। আর এখন কম্পিটিশনের সময়।
মানুষ এখন চিন্তা করে কখন কিভাবে নিজেকে এগিয়ে নেওয়া যায়,সে চেষ্টাই থাকে। সার্চ লিস্ট এর প্রথম পেজ টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মানুষ প্রথম পেজে বেশি গুরুত্ব দিয়ে থাকে এবং প্রথম পেজে যদি তার সম্ভাব্য ফল পেয়ে যাই তখন তার পরের পেজে যাওয়ার প্রয়োজন পরেনা। আর ১ম পেইজের শুরুর দিকে যার সাইড থাকবে অবশ্যই তার সুযোগটা আরো বেড়ে যাবে। ছাড়া প্রথম পেইজে আসার কোন উপায় নেই।
শেষ কথা :অনলাইন ইনকাম কাজ করতে কোন বিষয়ে সমস্যা হলে আমাকে জানাতে পারেন ।


.webp)
বক্কর ২৫ ডটকম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url