সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি -এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন আপডেট২০২৬

 

প্রতিবছর হাজার হাজার বাংলাদেশী কাজের বিদেশে পাড়ি জমান। সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন সম্পর্কে আজকের এই আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করব। ভাগ্য বদলানোর বানিয়ে বিভিন্ন দেশে পাড়ি দিয়ে থাকি। সিঙ্গাপুর যেতে হলে যে তথ্যগুলো না জানলেই নয় সেগুলো জানতে হলে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পোকারে পড়ুন। 

সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি


আপনারা যারা অনেক টাকা পয়সা খরচ করে সিঙ্গাপুর যেতে চাচ্ছেন। নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে তারা অবশ্যই কিছু প্রয়োজনীয় কথা  জেনে গেলে উপকার পাবেন। যেমন সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি সেখানকার সর্বোচ্চ এবং করবেন সর্বনিম্ন বেতন কত এবং দেশটিতে যেতে কত টাকা খরচ হবে 

পোস্ট সূচীপত্রঃসিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সর্বোচ্চ সর্বনিম্ন বেতন। 

সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সর্বনিম্ন বেতন। 

সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সর্বনিম্ন বেতন সম্পর্কে জানতে অনেকেই আগ্রহী। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে অনেক মানুষ কাজের জন্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, পড়াশোনা, চিকিৎসা, বা ভ্রমণের জন্য সিঙ্গাপুর যায় থাকেন। যারা সিঙ্গাপুর কাজের জন্য যেতে আগ্রহী তাদের প্রথমে জানা উচিত যে সে দেশের কর্মসংস্থান কেমন, কাজের বেতন কত , ও কোন কাজের চাহিদা বেশি। এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা থাকা অবশ্যই জরুরী। 

কারণ আপনি যে কাজের জন্য যাচ্ছেন,সেখানে কি কাজ আছে এবং সে বিষয়ে আপনার দক্ষতা আছে কিনা সেটা অবশ্যই জানতে হবে। আপনি যে কাজে জন্য যাচ্ছেন যদি সেই কাজের বিষয়ে পূর্বে দক্ষতা অর্জন করতে পারেন। বা টিটিসি থেকে সার্টিফিকেট অর্জন করতে পারেন তাহলে আপনার কাজের মূল্য অবশ্যই বেশি হবে 

সিঙ্গাপুর হচ্ছে অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেক শক্তিশালী একটি রাষ্ট্র। এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সিঙ্গাপুর একটি উন্নতম রাষ্ট্র বলে এখানে কাদের চাহিদা অনেক বেশি। এখানে দক্ষ প্রবাসী শ্রমিকের পাশাপাশি অদক্ষ শ্রমিকেরও প্রচুর চাহিদা।তাই আপনি দক্ষ বা অদক্ষ যাই হোক না কেন অত উপার্জনের জন্য সিঙ্গাপুর যেতে পারেন। তবে  দক্ষ লোকের কাজের বেতন একটু বেশি। সিঙ্গাপুর যে সকল কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি সেগুলো নিচে উল্লেখ করা হলোঃ-

কনস্ট্রাকশন শ্রমিক, সেনেটারী মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, ফ্যাক্টরি শ্রমিক, নার্স, ইঞ্জিনিয়ার, আইটি এক্সপার, গ্লাস ফিটিং, হেয়ার কাটিং, হোটেল বয়, রেস্টুরেন্টের সেপ,মোটর ড্রাইভার 

উপরে উল্লেখিত কাজগুলোর মধ্যে আপনি যে কাজ পছন্দ করেন বন্ধ করেন সে বিষয়ে প্রথমে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। কাজের দক্ষতা উপর নির্ভর করবে আপনার বেতন। এবং সিঙ্গাপুর যাওয়ার পর খুব সহজেই কাজ পেয়ে যাবেন। তাই সিঙ্গাপুর যাওয়ার পূর্বেই যেকোনো কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করে যাওয়া ভালো তাতে নিজে কাজ করে শান্তি পাওয়া যায় এবং কাজ ভালো হবে এটার উপর গেরেন্টই দিতে পারবেন আপনি নিজেই। 

সিঙ্গাপুর সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন 

সিঙ্গাপুর সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারলে আপনার সিঙ্গাপুর যাওয়ার পরে কাজের ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা হবে। সিঙ্গাপুর এশিয়া মহাদেশের  উন্নত ঘনবসতিপূর্ণ একটি রাষ্ট্র। সিঙ্গাপুর হল বিশ্বের মধ্যে একটি অন্যতম ও জনপ্রিয় দেশগুলোর মধ্যে একটি। সিঙ্গাপুরে এখন বর্তমান বিশ্বের সাথে পাল্লা দিয়ে দিন দিন উন্নত হচ্ছে এবং উন্নতর পাশাপাশি দেশটিতে প্রচুর পরিমাণের কাজের চাহিদা রয়েছে। তাই প্রতিবছর সিঙ্গাপুরে অনেক মানুষ কাজের জন্য পাড়ি দেই। চলুন সিঙ্গাপুর সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসি। 

নাম বিষয়
দেশের নাম সিঙ্গাপুর
অবস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
আয়তন প্রায় ৭১৯ কিলোমিটার
জনসংখ্যা প্রায় ৬১ লক্ষ্য
মুদ্রার নাম ডলার ( SGD)
মুদ্রার হার সিঙ্গাপুরের এক ডলার =৯৫টাকা প্রায়
গাড়ি চালানোর দিক বাম দিক
স্বাধীনতা ৯ই আগস্ট ১৯৬৫
ভাষা ইংরেজি, মালয়,তামিল
ভাষা
সিঙ্গাপুর ইংরেজি বহুল ব্যবহৃত
নোটঃমুদ্রা বিনিময়ের হার প্রতিদিন পরিবর্তন হয়, তাই এটি আনুমানিক হিসাব 

সিঙ্গাপুরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন 

আপনারা অনেকেই সিঙ্গাপুরের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন সম্পর্কে জানতে চান। সিঙ্গাপুর এশিয়ার অন্যতম উন্নত ও ব্যয়বহুল দেশ, যেখানে চাকরির ধরন অনুযায়ী বেতনের ব্যবধান অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক কোম্পানি, ফিনান্স, আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং ও ম্যানেজমেন্ট সেক্টরে এখানে উচ্চ বেতনের সুযোগ রয়েছে। দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা যত বেশি, বেতনও তত বেশি হয়। বিশেষ করে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করা পেশাজীবীরা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি আয় করেন।

সিঙ্গাপুরে সর্বোচ্চ বেতন সাধারণত সিইও, সিনিয়র ম্যানেজার, ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার, সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এসব পেশায় মাসিক বেতন প্রায় ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ সিঙ্গাপুর ডলার বা তারও বেশি হতে পারে। বড় কোম্পানিতে বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা যোগ হলে বার্ষিক আয় আরও বেড়ে যায়।

অন্যদিকে সর্বনিম্ন বেতন সাধারণত ক্লিনার, হেলপার, কনস্ট্রাকশন ও রেস্টুরেন্ট শ্রমিকদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এসব কাজে মাসিক বেতন প্রায় ১,২০০ থেকে ১,৮০০ সিঙ্গাপুর ডলারের মধ্যে থাকে। জীবনযাত্রার খরচ বেশি হওয়ায় কম বেতনের কর্মীদের জন্য খরচ ম্যানেজ করা বেশ চ্যালেঞ্জিং।তবে সিঙ্গাপুর যাই দুই বছর পর বেতন বেড়ে যেতে পারে। 

সিঙ্গাপুর যেতে কত টাকা খরচ হয় ও কি কি কাগজপত্র  লাগে 

সিঙ্গাপুর যেতে কিছু বিষয়ে খরচ হয়। যেমন -পাসপোর্ট, ভিসা, বিমান ভাড়া আনুষঙ্গিক কিছু খরচ হয়। শ্রমিক ভিসাই সিঙ্গাপুর যেতে চান তাহলে আপনার মোটামুটি ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে। যদিও সিঙ্গাপুর যেতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির উপর কমবেশি খরচ হতে পারে। অনেক ধরনের ভিসা ক্যাটাগরি রয়েছে। যেমন পড়াশোনার জন্য গেলে স্টুডেন্ট ভিসা, ভ্রমণের জন্য গেলে ভিজিট ভিসা, ব্যবসার জন্য গেলে বিজনেস ভিসা, কাজের ক্ষেত্রে গেলে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, ইত্যাদি ভিসা রয়েছে। 

আপনার যদি পরিচিত কেউ সিঙ্গাপুরে থাকেন তাহলে তার মাধ্যমে গেলে আপনার একটু কম টাকা খরচ হবে। আর যদি কোন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বা এজেন্সির মাধ্যমে জান তাহলে আপনার খরচের পরিমাণ একটু বেশি লাগবে। তবে আপনি যদি কোন মাধ্যমে যান তাহলে অবশ্যই করে নিবেন প্রতিষ্ঠান বা এজেন্সিকে তাদের রিপোর্ট কেমন। সিঙ্গাপুর কোন কাজের জন্য গেলে কত টাকা খরচ পড়বে তা নিচে দেওয়া হলঃ

সিঙ্গাপুরি চাহিদা জানার পাশাপাশি কেমন বেতন তাও জানতে হবে। তারপর সিঙ্গাপুর  যাওয়ার জন্য কি কি ডকুমেন্টস লাগে তা জানার প্রয়োজন। সিঙ্গাপুর যেতে হলে ভিসার পাশাপাশি কিছু আনুষঙ্গিক কাগজ প্রয়োজন হয়। আপনি যদি সিঙ্গাপুর যেতে চান তাহলে আপনাকে কাগজগুলো রেডি রাখতে হবে। যখন আপনি ভিসার জন্য আবেদন করবেন বা প্রবাসে যাবেন তখন আপনার যেসব কাগজপত্র প্রয়োজন হতে পারে। সিঙ্গাপুর যাওয়ার ক্ষেত্রে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে তা নিচে বলা হলোঃ-

ভিসা ক্যাটাগরি আনুমানিক ভিসা খরচ বাংলাদেশী টাকা
ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ৫ থেকে ৭ লক্ষ টাকা
স্টুডেন্ট ভিসা ৪থেকে ৫লক্ষ টাকা
ভিজিট ভিসা ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা

  • একটি বৈধ পাসপোর্ট যার  কমপক্ষে একটি পাতা ফাঁকা আছে  এবং কমপক্ষে ছয় মাস মেয়াদ আছে। 
  • সিঙ্গাপুর সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ভিসা আবেদন ফ্রি প্রায় ৩০০ ডলার। 
  • সিঙ্গাপুরে বসবাস করে এমন কোন ব্যক্তিগত আমন্ত্রণপত্র বা কোম্পানির আমন্ত্রণপত্র। 
  • আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র। 
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের দুই কপি ছবি। 
  • আপনার জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট। 
  • আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট। 
  • মেডিকেল রিপোর্ট বা মেডিকেল সার্টিফিকেট। 

সিঙ্গাপুরে ভালো বেতনের চাকরি খোঁজার উপায় 

সিঙ্গাপুরে ভালো বেতনের চাকরি খুঁজতে হলে প্রথমেই নিজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে আন্তর্জাতিক মানে প্রস্তুত করা জরুরি। আইটি, ইঞ্জিনিয়ারিং, ফাইন্যান্স, ব্যাংকিং, কনস্ট্রাকশন, হোটেল ম্যানেজমেন্ট ও হেলথকেয়ার সেক্টরে বেতনের সুযোগ তুলনামূলক বেশি। এসব খাতে কাজ পেতে হলে প্রাসঙ্গিক ট্রেনিং, সার্টিফিকেট ও কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে নিয়োগদাতাদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। ইংরেজি ভাষায় ভালো যোগাযোগ দক্ষতাও সিঙ্গাপুরে উচ্চ বেতনের চাকরি পেতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

দ্বিতীয়ত, সঠিক জব পোর্টাল ও নেটওয়ার্কিং ব্যবহার করা অত্যন্ত কার্যকর। JobStreet, Indeed, LinkedIn এবং MyCareersFuture-এর মতো ওয়েবসাইটে নিয়মিত আবেদন করতে হবে। একই সঙ্গে LinkedIn প্রোফাইল আপডেট রেখে রিক্রুটারদের সঙ্গে সংযোগ বাড়ালে ভালো বেতনের অফার পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়। পরিচিত বা প্রবাসী কমিউনিটির রেফারেন্সও অনেক সময় দ্রুত চাকরি পেতে সহায়তা করে।

সবশেষে, ওয়ার্ক ভিসা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা জরুরি। Employment Pass ও S Pass সাধারণত ভালো বেতনের চাকরির সঙ্গে জড়িত। ভিসার শর্ত অনুযায়ী বেতন কাঠামো বুঝে আবেদন করলে ঝুঁকি কমে। পাশাপাশি ভুয়া এজেন্সি এড়িয়ে সরাসরি কোম্পানি বা বিশ্বস্ত মাধ্যমে আবেদন করাই নিরাপদ ও লাভজনক।

সিঙ্গাপুরে কাজের সুবিধা এবং অসুবিধা 

সিঙ্গাপুরে কাজ করা অনেকের জন্য আকর্ষণীয়, কারণ এখানে বেতন, নিরাপত্তা ও কাজের পরিবেশ উন্নত। তবে সুবিধার পাশাপাশি কিছু বাস্তব অসুবিধাও রয়েছে, যা জানা থাকলে সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

সিঙ্গাপুরে কাজের সুবিধা সমূহঃ

  • তুলনামূলকভাবে উচ্চ বেতন ও সময়মতো বেতন পরিশোধ।
  • নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও শক্তিশালী শ্রম আইন।
  • আন্তর্জাতিক মানের কোম্পানিতে কাজের সুযোগ।
  • ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও স্কিল শেখার ভালো পরিবেশ।
  • উন্নত চিকিৎসা, যাতায়াত ও আধুনিক জীবনব্যবস্থা।কি 

সিঙ্গাপুরে কাজের অসুবিধা সমূহঃ

  • জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।
  • কাজের চাপ ও প্রতিযোগিতা অনেক বেশি।
  • পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন আলাদা থাকতে হয়।
  • কঠোর আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলতে হয়।
  • কাজ হারালে ভিসা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।

সিঙ্গাপুরে কাজের ভিসা পাওয়ার নিয়ম কী?

সিঙ্গাপুরে কাজের ভিসা পেতে হলে প্রথমে আপনাকে কোন সিঙ্গাপুরের কোম্পানিতে চাকরি পেতে হবে। এবং কোম্পানির আপনার হয়ে Ministry of Manpower(MOM)-এর জন্য আবেদন করতে হবে। সাধারণত আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার উপর ভিত্তি করে ভেসে দেওয়া হয়। এছাড়াও আপনার যদি কোন আত্মীয় থাকে তাহলে তার মাধ্যমে আপনি ভিসার আবেদন করতে পারবেন। 

সিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি

সিঙ্গাপুরে কাজের বেতন নিয়ে কিছু দরকারি টিপস আর বেতন নিয়ে ধারণা 

সিঙ্গাপুরে কাজের বেতন মূলত কাজের ধরন, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও ভিসার ওপর নির্ভর করে। চাকরিতে আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট পদের গড় বেতন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া জরুরি। Employment Pass সাধারণত উচ্চ বেতনের চাকরির জন্য প্রযোজ্য, আর S Pass মাঝারি বেতনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়

বেতন নিয়ে আলোচনার সময় মূল বেতনের পাশাপাশি ওভারটাইম, বোনাস ও অন্যান্য সুবিধা আছে কি না জেনে নিন। কখনোই মুখে কথা বিশ্বাস না করে অফার লেটার ভালোভাবে পড়ুন। ভুয়া এজেন্সি এড়িয়ে সরাসরি কোম্পানি বা বিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে চাকরি নিলে বেতন সংক্রান্ত ঝুঁকি কমে।

সিঙ্গাপুর যেতে কত বছর বয়স লাগে 

সিঙ্গাপুরে কাজের উদ্দেশ্যে যেতে সাধারণত ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হতে হয়। Work Permit, S Pass বা Employment Pass-যে ভিসাই হোক না কেন, আবেদনকারীর আইনগতভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া বাধ্যতামূলক। কিছু নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে ২১ বছর বা তার বেশি বয়স হলে নিয়োগদাতারা অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।

বয়সের পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা, কাজের অভিজ্ঞতা ও শারীরিক সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ। বাস্তবে ২১ থেকে ৪৫ বছরের কর্মীদের চাহিদা বেশি দেখা যায়। তবে দক্ষতা বেশি হলে বয়স কিছুটা বেশি হলেও সিঙ্গাপুরে কাজের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।

শেষ কথাঃসিঙ্গাপুরের কোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের-আপডেট তথ্য 

সিঙ্গাপুরকোন কাজের চাহিদা বেশি এবং সর্বোচ্চ উৎ সর্বনিম্ন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করছি আশা করি আর্টিকেলে পড়ে দের উপকারে আসবে। তবে সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই সিঙ্গাপুর সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যগুলো জেনে নিবেন। আর আপনি যে কাজে আগ্রহী সে কাজের জন্য দক্ষতা অর্জন করুন তাহলে সিঙ্গাপুর গিয়ে সহজে ভালো মানের কাজ খুঁজে পাবেন এবং ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন। এবং আমাদের ব্লকের সঙ্গেই থাকুন। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বক্কর ২৫ ডটকম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md.Abu bokkor
আমি মোঃআবু বক্কর আপনাকে যে সকল বিষয়ে সার্ভিস প্রদান করব। আমি একজন প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটিং SEOএক্সপার্ট এবং অনলাইন ইনকাম ও ব্লগিং লাইফ স্টাইল ও তথ্য প্রযুক্তি প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করে থাকি।