দুবাই ড্রাইভিং ভিসা বেতন কত -আপডেট তথ্য ২০২৬
আপনি কি দুবাই ড্রাইভিং ভিসার বেতন কত, এই বিষয়ে তথ্য খুঁজতেছেন। এই তথ্য জানার জন্য প্রায় অধিকাংশ মানুষ গুগল সার্চ করে থাকেন। প্রতিবছর অসংখ্য বাঙালি প্রবাসী দুবাই ভেসে যেতে চাই, কিন্তু বেতন কত সে বিষয় সম্পর্কে ধর্ম রাখেনা। এজন্য দুবাইয়ের যাবতীয় বিস্তারিত তথ্য জানতে নিচে পড়ুন।
দুবাই ড্রাইভিং, আপনি যদি যেতে পারেন, তবে অনেক সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং খুব ভালো একটা বেতন পাবেন। এইজন্য অনেকেই দুবাই ড্রাইভিং ভিসায় যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন। কিছু কিছু মানুষ রয়েছে যারা দুবাই ড্রাইভিং ভিসা সম্পর্কে জানেনা তাই জন্য আজকের আমাদের এ ব্লক।
পোস্ট সূচিপত্রঃদুবাই ড্রাইভিং ভিসার বেতন কত জানতে নিচে পড়ুন
- দুবাই ডাইভিং ভিসা
- দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে
- দুবাই ড্রাইভিং ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে
- দুবাই ড্রাইভিং ভিসার জন্য কি কি যোগ্যতা লাগে
- ডুবাই লাইসেন্সের পরীক্ষার আবেদন পদ্ধতি
- দুবাই ডাইভিং ভিসার দাম কত
- দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসার বেতন কত
- হোটেল ভিসার বেতন কত
দুবাই ড্রাইভিং ভিসা
বাংলাদেশের থেকে প্রায় অসংখ্য প্রবাসী ভাই রয়েছে,যারা ড্রাইভিং মিশাই দুবাই যেতে চাচ্ছেন। তবে অবশ্যই আপনাদের ড্রাইভিং ভিসার কোথায় থাকতে হবে। ড্রাইভিং ভিসার জন্য আবেদনকারীর বৈধ পাসপোর্ট, মেডিকেল টেস্ট রিপোর্ট, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে নিজ দেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকলে তা দুবাই লাইসেন্সে রূপান্তর বা নতুন করে টেস্ট দিয়ে লাইসেন্স নিতে হয়। এছাড়া আবেদনকারীর বয়স সাধারণত ২১ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে হলে ভালো হয়। আপনি যদি ড্রাইভিং উপর দক্ষ হন তাহলে কি কি গাড়ি চালাতে পারেন নিচে তাও উল্লেখ করা হলো।
- মোটর বাইক
- ভারী বাস
- ভারী বাস
- ভেরি ফাক লিফট
- ট্যাক্সি বাস
- হালকা মোটর
আপনি যদি দুবাই ড্রাইভিং ভিশাতে যেতে চান, তবে উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলোতে কাজ পারবেন।
দুবাই ড্রাইভিং ভিসার বেতন কত
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অনেক মানুষ ড্রাইভিং ভিসায় দুবাই যেতে চাই। কারণ ড্রাইভিং ভিসায় দুবাই গেলে অনেক সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়ো ড্রাইভিং বিষয়ে ডুবে গেলে অনেক বেশি বেতন পাওয়া যায়। এজন্য বাংলাদেশী ভাইয়েরা ড্রাইভিং মিশিয়ে ডুবে যেতে চাই। কিন্তু অনেকেই জানেনা ড্রাইভিং ভিসার বেতন কত। ডুবাই ডাইভিং ভিসার বেতন সব সময় একই রকম থাকে না। ড্রাইভিং ভিসার বেতন বিভিন্ন কারণে পরিবর্তন হতে পারে।
সাধারণত দুবাইতে ড্রাইভারদের মাসিক বেতন ৮০হাজার থেকে ৯০মধ্যে হয়। তবে কারো যদি ড্রাইভিংদক্ষতা দক্ষ ও অভিজ্ঞ হয় এবং তার যদি অ্যালাইসিস থাকে তাহলে তিনি ১লক্ষ্য ৩০হাজার থেকে ১লক্ষ্য ৫০হাজার পর্যন্ত। তবে বিভিন্ন কোম্পানি এবং কাজের ধরন অনুযায়ী বেত পরিবর্তন হতে পারে।
দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে কত টাকা লাগে
প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে অসংখ্য মানুষ কাজের উদ্দেশ্যে দুবাই যায়ে থাকে। দুবাইয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে খরচ নির্ভর করে আবেদনকারীর অভিজ্ঞতা, জাতীয়তা এবং কোন ড্রাইভিং স্কুলে প্রশিক্ষণ নেওয়া হচ্ছে তার ওপর। সাধারণত নতুন চালকদের জন্য পুরো কোর্সসহ ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে মোট খরচ প্রায় ৫,০০০ থেকে ৭,০০০ দিরহাম পর্যন্ত হতে পারে। এর মধ্যে আই টেস্ট, থিওরি ক্লাস, প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং, ইন্টারনাল টেস্ট এবং আরটিএ (RTA) ফি অন্তর্ভুক্ত থাকে। কিছু প্রিমিয়াম ড্রাইভিং ইনস্টিটিউটে খরচ আরও বেশি হতে পারে।
অন্যদিকে, যাদের নিজ দেশের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে এবং তারা লাইসেন্স কনভার্ট করতে পারেন, তাদের খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক কম হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণত ৬০০ থেকে ১,২০০ দিরহামের মধ্যে খরচ হতে পারে। এতে আই টেস্ট, আবেদন ফি এবং লাইসেন্স ইস্যু চার্জ অন্তর্ভুক্ত থাকে। তবে নিয়ম ও ফি সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হতে পারে, তাই আবেদন করার আগে আরটিএ বা সংশ্লিষ্ট ড্রাইভিং সেন্টার থেকে হালনাগাদ তথ্য জেনে নেওয়া সবচেয়ে ভালো।
দুবাই ড্রাইভিং ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্টস লাগে
আপনি যদি ড্রাইভিং কাজে দুবাই যেতে চান তাহলে অবশ্যই সবার প্রথমে ড্রাইভিং ভিসা সংগ্রহ করতে হবে । কিন্তু এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ড্রাইভিং ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্ট অথবা কাগজপত্র লাগবে / এখন আমরা এই বিষয়ে বিস্তারিত জানব । দুবাই ড্রাইভিং ভিসা করতে যা যা লাগবে তা নিচে বলা হলো হলো ।
বৈধ পাসপোর্ট জাতীয় পরিচয় পত্র
পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
ড্রাইভিং লাইসেন্স ফটোকপি
ভিসা এম্বাসি থেকে সত্যায়িত ফটোকপি
ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের চারিত্রিক সনদপত্র
আপনি যদি কখনো দুবাইতে ড্রাইভিং ভিসার জন্য আবেদন করতে চান তাহলে সবার প্রথমে উপরুক্ত কাগজপত্র বা ডকুমেন্ট সংগ্রহ করবেন । তারপর কোন এজেন্সি অথবা দালালের মাধ্যমে ড্রাইভিং ভিসার জন্য আবেদন করবেন । অথবা আপনি নিজে থেকেই এই ভিসার জন্য আবেদন করে নিবেন ।
দুবাই ড্রাইভিং ভিসার জন্য কি কি যোগ্যতা লাগে
আপনারা যারা ডাইভিং বিষয়ে দুবাই যেতে চান তাদের অবশ্যই প্রথমে জানতে হবে যে ড্রাইভিং ভিসায় দুবাই যেতে কি কি যোগ্যতা প্রয়োজন হয়। যেহেতু ড্রাইভিং ভিসায় দুবাই গেলে অনেক সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। তাই বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষ ড্রাইভিং বিষয়ে দুবাই যেতে চান। কিন্তু তারা জানেন না যে ড্রাইভিং ভিসায় দুবাই যাওয়ার জন্য কি কি যোগ্যতা থাকা লাগবে। ড্রাইভিং ভিসায় দুবাই যাওয়ার জন্য যেসব যোগ্যতা লাগবে তা জেনে নিন।
- আপনার বয়স অবশ্যই ২১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- আপনার নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এসএসসি বা সমমানের হতে হবে।
- অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তারা ড্রাইভিং এ দুই থেকে তিন বছরের অভিজ্ঞতা চাই।
- ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই নিয়ে যেতে হবে।
- যদি আপনার নিজ দেশের ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই সেটা সঙ্গে নিতে হবে।
- দুবাইতে যাওয়ার পর অবশ্যই আপনাকে ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হবে বা প্রক্রিয়াধীন অবস্থায় থাকতে হবে।
ডুবাই লাইসেন্সের পরীক্ষার আবেদন পদ্ধতি।
দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার জন্য আপনাকে কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আপনার যদি বয়স ২১ থেকে ৫০ এর মধ্যে হয়ে থাকে তাহলে আপনি দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার আবেদন করতে পারেন। কারণ দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ। আপনি দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষার আবেদনের জন্য নিম্নক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন।
- প্রথমেই আপনাকে মেডিকেল করতে হবে। দেখতে হবে আপনার শরীরে কোন সমস্যা আছে নাকি।
- তারপর একটি RATAঅনুমতি তো ড্রাইভিং ইনস্টিটিউটে যোগ দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজ পাতি জমা দিতে হবে।
- UAE-তে লার্নার্স পারমিট অস্থায়ী লাইসেন্স পাবেন
- তারপর থিওরি ক্লাসে পাস করতে হবে এবং ব্যবহারিক প্রশিক্ষণও অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন অনুসরণ করতে হবে।
- ডুবাই হাইওয়ে সহ পার্কিং, ট্রাফিক নিয়ম সম্পর্কে জানতে হবে।
- পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে এবং চূড়ান্ত RTAপরীক্ষার জন্য আবেদন করতে হবে।
- আপনি যদি চূড়ান্ত আরটিএ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে, পরবর্তী আরো পরীক্ষার আপনি প্রশিক্ষণের অতিরিক্ত সাতটি ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
দুবাই ডাইভিং ভিসার দাম কত- ২০২৬
দুবাই ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে হলে প্রথমে আবেদনকারীর বয়স, ভিসার ধরন ও এমিরেটস আইডি থাকতে হয়। এরপর অনুমোদিত ড্রাইভিং ইনস্টিটিউটে রেজিস্ট্রেশন করে থিওরি ক্লাস, প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং, পার্কিং ও রোড টেস্ট দিতে হয়। নতুনদের জন্য পুরো প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে সম্পন্ন করতে হয়, আর যাদের নিজ দেশের লাইসেন্স আছে তারা কখনো কখনো ছাড় পেতে পারেন।
টাকার দিক থেকে ২০২৬ সালের আনুমানিক দাম সাধারণত ৪,০০০ থেকে ৭,৫০০ দিরহাম (AED) বা তারও বেশি হতে পারে যদি আপনি রিটেস্ট বা অতিরিক্ত ক্লাস নেন বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১,২০,০০০ – ২,২৫,০০০ টাকা (হারের ওঠানামার ওপর ভিত্তি করে)। এতে ড্রাইভিং স্কুলের প্রশিক্ষণ, RTA-র ফাইল ও পরীক্ষা ফি, চোখের পরীক্ষা এবং লাইসেন্স ইস্যু ফি সবকিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে। অবশ্যই খরচটি আপনার নির্বাচিত স্কুল ও প্যাকেজ অনুযায়ী কমবেশি হতে পারে
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসার বেতন কত
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসায় কাজ করলে বেতন মূলত পদের ওপর নির্ভর করে। সাধারণত ওয়েটার, ক্লিনার বা কিচেন হেল্পার হিসেবে কাজ করলে মাসিক বেতন ১,২০০ থেকে ১,৮০০ দিরহামের মধ্যে হয়ে থাকে। নতুন কর্মীদের ক্ষেত্রে শুরুতে বেতন তুলনামূলক কম হলেও অভিজ্ঞতা বাড়লে ধীরে ধীরে বেতন বৃদ্ধি পায়। অনেক রেস্টুরেন্টে বেসিক বেতনের পাশাপাশি সার্ভিস চার্জও দেওয়া হয়।
শেফ বা কুক পদে কাজ করলে বেতন তুলনামূলক বেশি হয়। একজন কমি শেফ সাধারণত ২,০০০ থেকে ৩,০০০ দিরহাম পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। অভিজ্ঞ হেড শেফ বা স্পেশালাইজড কুকদের ক্ষেত্রে বেতন ৪,০০০ থেকে ৭,০০০ দিরহাম বা তারও বেশি হতে পারে। রেস্টুরেন্টের মান, লোকেশন এবং কাজের চাপ বেতনের ওপর প্রভাব ফেলে।
অনেক ক্ষেত্রে রেস্টুরেন্ট ভিসার সঙ্গে ফ্রি থাকার ব্যবস্থা, খাবার ও পরিবহন সুবিধা দেওয়া হয়। এতে কর্মীদের খরচ কমে যায় এবং সঞ্চয়ের সুযোগ বাড়ে। তাই দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা নতুন প্রবাসীদের জন্য একটি ভালো কর্মসংস্থানের সুযোগ হিসেবে ধরা হয়
হোটেল ভিসার বেতন কত
দুবাই হোটেল ভিসায় কাজের সুযোগ মূলত হসপিটালিটি সেক্টরের বিভিন্ন পদের জন্য দেওয়া হয়। এই ভিসায় হোটেলের হাউসকিপিং, রুম বয়, ওয়েটার, কিচেন হেল্পার, রিসেপশনিস্টসহ নানা ধরনের কাজ করা যায়। কাজের ধরন অনুযায়ী দায়িত্ব ও কাজের সময় ভিন্ন হয়, আর অভিজ্ঞতা থাকলে ভালো পদের সুযোগও পাওয়া যায়।
হোটেল ভিসায় কাজ করলে অনেক সময় বেতনের পাশাপাশি অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হয়। যেমন—ফ্রি থাকা, খাবার, ট্রান্সপোর্ট, মেডিকেল সুবিধা ও ওভারটাইম। এসব সুবিধার কারণে কম বেতন হলেও মোট আয়ের পরিমাণ তুলনামূলক ভালো হয়। বড় ও নামকরা হোটেলে কাজ করলে সুযোগ-সুবিধা আরও উন্নত হয়।
বেতনের কথা বললে, সাধারণ কর্মীদের মাসিক বেতন প্রায় ৯০০ থেকে ১২০০ দিরহাম। ওয়েটার বা রিসেপশনিস্টদের বেতন ১২০০ থেকে ১৮০০ দিরহাম পর্যন্ত হতে পারে। অভিজ্ঞ শেফ বা সুপারভাইজারদের বেতন ২০০০ থেকে ৩৫০০ দিরহাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।
শেষ কথাঃদুবাই ড্রাইভিং ভিসা বেতন কতদুবাই ড্রাইভিং ভিসা বেতন কত সম্পর্কে আজকের আর্টিকেলে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি দুবাই ড্রাইভিং ভিসা বেতন সম্পর্কে আপনারা বিস্তারিত বুঝতে পেরেছেন। যদি এ বিষয়ে আপনাদের আরো কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্ট এর মাধ্যমে আমাকে জানাবেন।
পোস্টটি আপনার কাছে তথ্যবহুল এবং উপকৃত মনে হলে পরিচিতদের শেয়ার করুন। কারণ আজকাল অনেক ভাইয়েরা বিদেশ যেতে আগ্রহী। আজকে পর্ব এ পর্যন্তই সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।



বক্কর ২৫ ডটকম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url