SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম
আপনি কি এসইও (SEO)ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন। কিন্তু সঠিক গাইডলাইন খুঁজে পাচ্ছেন না। ভুলভাবে আর্টিকেল লিখতেছেন। যার জন্য গুগলের র্যাঙ্ক করতে পারছেন না। যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর কমে যাচ্ছে।
আপনি আমাদের এই পোস্ট থেকে জানতে পারবেন, কিভাবে কোন নিয়মে আর্টিকেল লিখলে পাঠক খুশি হবে এবং কিভাবে গুগলে এসইও এর মাধ্যমে গুগলের র্যাংক করা যায়। চলুন তাহলে দেরি না করে, SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য গভীরভাবে জেনে নেওয়া যাক।
পোস্ট সূচীপত্রঃSEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম গুলো জেনে নেই
- কিওয়ার্ড কে টার্গেট করা
- আর্টিকেলে ভূমিকা লেখার নিয়ম
- আর্টিকেল লেখার প্রথম ধাপ কোনটি
- আর্টিকেলের বডি লেখার নিয়ম
- পর্যায়ক্রমে প্যারাগ্রাফ শিরোনাম হেডিং ফোকাস কিওয়ার্ডগুলো লেখার নিয়ম
- পাঠকের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি আচরণ করার উপায়
- আর্টিকেলকে সঠিক নিয়মে বিশ্লেষণ করা।
- রিলেটেড টপিক লিঙ্ক করা -SEO ফ্রেন্ডলি ব্লক পোস্ট
- আর্টিকেলের টাইটেল নির্বাচন
- আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য বা ওয়ার্ড সংখ্যা।
কিওয়ার্ড কে টার্গেট করা
একটি আর্টিকেল লেখা শুরু করার আগে প্রথমে আপনাকে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নিতে হবে। কি ওয়ার্ড রিসার্চ ছাড়া আর্টিকেলকে র্যাংক করানো অনেক কঠিন। আপনি যখন একটি কিওয়ার্ড রিসার্চ করবেন তখন আপনি সে কিওয়ার্ডের সম্পূর্ণ ধারণা পাবেন। যেমনঃএবাউট রেজাল্ট, সার্চ ভলিউম, অলইন টাইটেল কিওয়ার্ডের কোয়ালিটি ইত্যাদি।
অতএব,আর্টিকেল লেখার পূর্বে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে,একটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড কে টার্গেট করে আর্টিকেল লেখা উচিত। এই ডিজিটাল যুগে কীওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য অনেক ধরনের মাধ্যম রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলোঃUbersuggest বা Arefs.
আর্টিকেলে ভূমিকা লেখার নিয়ম
একটি মানসম্মত আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে ভূমিকা অংশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি পাঠকের সঙ্গে লেখকের প্রথম সংযোগ তৈরি করে। একটি ভালো ভূমিকা পাঠকের মনোযোগ আকর্ষণ করে এবং তাকে পুরো আর্টিকেল পড়তে উৎসাহিত করে। ভূমিকা লেখার সময় প্রথমেই আর্টিকেলের মূল বিষয়টি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা উচিত, যাতে পাঠক বুঝতে পারেন লেখাটি কোন বিষয় নিয়ে লেখা এবং এতে কী ধরনের তথ্য পাওয়া যাবে।
শুরুতে কোনো প্রশ্ন, বাস্তব উদাহরণ বা সাধারণ সমস্যার উল্লেখ করলে পাঠকের কৌতূহল বাড়ে। ভূমিকা অংশে অতিরিক্ত তথ্য বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়ে মূল আলোচনার একটি পরিষ্কার ধারণা দেওয়াই উত্তম। ভাষা হওয়া উচিত সহজ, প্রাঞ্জল ও পাঠকবান্ধব, যাতে যেকোনো স্তরের পাঠক সহজে বুঝতে পারেন। পাশাপাশি পাঠকের প্রয়োজন ও আগ্রহকে গুরুত্ব দিয়ে লিখলে ভূমিকা আরও কার্যকর হয়। একটি সুসংগঠিত ও আকর্ষণীয় ভূমিকা পাঠকের আস্থা তৈরি করে এবং পুরো আর্টিকেলের মান বৃদ্ধি করে। তাই আর্টিকেল লেখার সময় ভূমিকা অংশ লেখা জরুরী।
সূচিপত্র তৈরি করার উপায়
SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার সময় আমাদের উচিত সূচিপত্র তৈরি করা। সূচিপত্র ভূমিকা লেখার পরে প্রথমে রাখতে হবে। যাতে সূচিপত্র পাঠক বুঝে যাই ভিতরে কি লেখা আছে। তাহলে পাঠক খুশি হয়ে তার মূল সমস্যার সমাধান খুঁজে পাবে। আমাদের এই পোস্টটি এভাবে সাজানো হয়েছে। তবে সূচিপত্র বানাতে গেলে আপনাকে HTMLসেটিংস ব্যবহার করতে হবে।নিচে এই সম্পর্কে উদাহরণ দেওয়া হল।
আপনাকে প্রতিটি হেডিং এর প্যারার শুরুতে HTMl ভিউ একটি করে idনাম্বার যোগ করে দিতে হবে। প্রতিটি আইডির পূর্বে একটি করে idনাম্বার দিতে হবে। id=1,id=2 id=3এভাবে সিরিয়ালে দিবেন। এভাবে সূচিপত্র বানাতে হয়।
আর্টিকেল লেখার প্রথম ধাপ কোনটি
আপনি যদি এসইও ফ্রেন্ডলি বাংলা আর্টিকেল দেখার নিয়ম অনুযায়ী সঠিকভাবে কাজ করতে চান, তাহলে আপনাকে শুরুতেই একটা পরিষ্কার পরিকল্পনা নিতে হবে। এটি হচ্ছে আপনার আর্টিকেল লেখার প্রথম ধাপ। আপার যদি একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা না থাকে তাহলে আপনার সময় নষ্ট হবে। যে বিষয় নিয়ে আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় জ্ঞান রাখা এবং বিশ্লেষণ করা।
কোনো লেখা শুরু করার আগে অবশ্যই জানতে হবে আপনি কী নিয়ে লিখবেন এবং কেন লিখবেন। বিষয়টি স্পষ্ট হলে লেখার দিকনির্দেশনা ঠিক থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় কথা এড়ানো যায়। এরপর পাঠক কারা হবেন তা নির্ধারণ করা জরুরি, কারণ পাঠকভেদে ভাষা ও উপস্থাপনার ধরন পরিবর্তিত হয়। বিষয় নির্বাচন শেষে সংশ্লিষ্ট তথ্য সংগ্রহ ও একটি ছোট খসড়া পরিকল্পনা করলে লেখা আরও গোছানো হয়। এই প্রাথমিক প্রস্তুতিই একটি ভালো ও মানসম্মত লেখার ভিত্তি তৈরি করে।
আর্টিকেলের বডি লেখার নিয়ম
আপনি যদি SEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম অনুসরণ করেন,তাহলে আর্টিকেলের বডি নিয়ম অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে। আপনার আর্টিকেলের বডি একজন পাঠক পড়ে থাকে। পাঠকের আকর্ষণ করাই হচ্ছে আমাদের মূল কাজ। আপনার ভূমিকা ও সূচিপত্র বানানোর পরে আপনাকে আর্টিকেলের বডি লিখতে হবে। আর্টিকেলের বডি লেখার সময় মাথায় রাখতে হবেঃ ফ্রেন্ডলি আচরণ, পোস্ট সম্পর্কিত ছবি, সঠিক তথ্য, আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য, হেডিং ট্যাগ ও প্যারা, শেষে লেখক মতামত।
আপনি যখন একটি আর্টিকেল লিখবেন তখন আপনার তখন আপনার উচিত আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য সম্পর্কে ভাবা। অর্থাৎ আপনার আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য কতটুকু হবে। আপনার আর্টিকেলের সঠিক তথ্য দিতে কতটুকু বড় করতে হবে তা বিবেষণায় রাখতে হবে। এরপর আপনার উচিত প্রত্যেকটি প্যারার প্রথমে রাখা। একটি পোস্টে ১০ থেকে ১৫ টি ফোকাস কিওয়ার রাখা উচিত।
এরপর পোস্টে সম্পর্কিত ছবি দিতে হবে। আপনার উচিত কপিরাইট ফ্রি ফ্রি ইমেজ ব্যবহার না করা। এ আই দিয়ে ইমেজ বানিয়ে এডিট করে, এসইও করে ব্যবহার করলে সবচেয়ে ভালো হয়। এছাড়াও কোন তথ্য সম্পর্কে লিখে আপনার উচিত তার স্ক্রিনশট দিয়ে বুঝিয়ে দেওয়া। আপনি ইমেজ ফটোশপ থেকে এডিট করে নিতে পারেন। ইমেজে এলাট ট্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। ছবি সেট করার পর alt ট্যাগ দিয়ে original size এ ছবি রাখতে হবে।
এরপর আর্টিকেলের হেডিং বেল্ট করে লেখা উচিত। প্রতিটি হেডিং এ ইউ আর রাখার চেষ্টা করবেন। এরপর আপনার আর্টিকেলের প্যারা করে লেখা উচিৎ।সর্বোচ্চ ৪-৫লাইন যেন পেরাই হয়। একটি পাঠকরা পাঠ করে মজা পাবে।এছাড়াও আপনাকে সঠিক রিচার্জ করে লিখতে হবে। ভুল তথ্য দেওয়া যাবে না এতে পাঠ হোক বিশ্বাস হবে। সবশেষে আপনি আর্টিকেল লেখার উপর মতামত ও অভিজ্ঞতা দিবেন।
পর্যায়ক্রমে প্যারাগ্রাফ শিরোনাম হেডিং ফোকাস কিওয়ার্ডগুলো লেখার নিয়ম
আপনি চেষ্টা করবেন প্রতিটি প্যারাতে যেন ৪থেকে ৫লাইন করে লেখা থাকে। যদি কোন প্যারাতে অনেক বেশি ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয় তাহলে ৪ লাইন করে প্যারা ভাগ করে লিখতে পারেন। একটি সাব-কিওয়ার্ড বা প্যারাগ্রাফ শিরোনাম হেডিং এর মধ্য যতগুলো প্যারা লিখলে সম্পূর্ণ হবে ততগুলো লেখা উচিত বা।
প্রত্যেকটি হেডিং বা সাব -হেডিং কি হোয়াট ইজ এ কিউ এটা আছে, এটিকে সেই হিডিং এর আন্ডারে তিন থেকে চারবার রাখতে হবে।
১.নির্দিষ্ট কিওয়ার্ড এর সাথে যুক্ত করে উত্তর।
২.একটি প্যারায় ১০-১৫লাইন রাখা যাবে না। পাঠক পড়তে বিরক্ত বোধ করবে। সর্বোচ্চ ৪থেকে ৫লাইন করে রাখা যাবে।
পাঠকের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি আচরণ করার উপায়
এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার সময় পাঠকের সঙ্গে ফ্রেন্ডলি আচরণ করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। প্রথমেই সহজ ও পরিষ্কার ভাষা ব্যবহার করা উচিত, যাতে যেকোনো পাঠক বিষয়টি সহজে বুঝতে পারে। অতিরিক্ত কঠিন শব্দ বা অপ্রয়োজনীয় টেকনিক্যাল ভাষা এড়িয়ে চললে পাঠক লেখার সঙ্গে সংযুক্ত থাকে। পাশাপাশি, আর্টিকেলের শুরুতেই সমস্যার কথা বা পাঠকের চাহিদা তুলে ধরলে তারা আগ্রহী হয়। হেডিং, সাবহেডিং ও বুলেট পয়েন্ট ব্যবহার করলে লেখা পড়তে সুবিধা হয়, যা পাঠকের অভিজ্ঞতা উন্নত করে এবং সার্চ ইঞ্জিনের কাছেও আর্টিকেলটি মূল্যবান হয়ে ওঠে।
পাঠকের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে লেখার ভেতরে সরাসরি প্রশ্ন করা বা আপনি আমরা ধরনের শব্দ ব্যবহার করা কার্যকর। এতে পাঠক মনে করে লেখাটি তার জন্যই লেখা। বাস্তব উদাহরণ, ছোট গল্প বা বাস্তবসম্মত পরামর্শ যোগ করলে লেখার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড জোর করে না ঢুকিয়ে স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করতে হবে, যাতে লেখা কৃত্রিম না লাগে। সবশেষে, পাঠকের উপকার হয় এমন তথ্য দেওয়াই এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেলের মূল লক্ষ্য-কারণ সন্তুষ্ট পাঠকই সার্চ র্যাংকিং বাড়ানোর সবচেয়ে বড় শক্তি।
আর্টিকেলকে সঠিক নিয়মে বিশ্লেষণ করা।
কোন টপিকের উপর আর্টিকেল লিখার আগে সঠিক নিয়মে বিশ্লেষণ করতে হবে প্রথমে বিষয়বস্তু ও লেখার উদ্দেশ্য বুঝতে হয়। এরপর শিরোনাম, ভূমিকা, মূল অংশ ও উপসংহারের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না তা যাচাই করা জরুরি। তথ্যগুলো সঠিক ও নির্ভরযোগ্য কিনা এবং উদাহরণ প্রাসঙ্গিক কি না সেটিও দেখতে হয়। পাশাপাশি ভাষার সহজতা, বানান ও ব্যাকরণ পরীক্ষা করা দরকার। সবশেষে পাঠযোগ্যতা ও এসইও দিক থেকে কীওয়ার্ড ও হেডিং ব্যবহারের মান বিশ্লেষণ করলে আর্টিকেলের গুণগত মান স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
আরো পড়ুনঃ মোবাইল দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখব।
রিলেটেড টপিক লিঙ্ক করা -SEO ফ্রেন্ডলি ব্লক পোস্ট।
আপনি যখন একটা আর্টিকেল লিখবেন, তখন ওই রিলেটেড বিভিন্ন প্রকারের আর্টিকেল থাকে। হয়তোবা সেই রিলেটেড আর্টিকেল আপনার ওয়েবসাইট এর মধ্যে আরো অনেকগুলো আছে। সেক্ষেত্রে আর্টিকেলগুলোকে একটি কে অন্যটির সাথে লিংক করে দেওয়া অত্যন্ত জরুরী।
আপনি যদি একটি আর্টিকেলের সাথে আরেকটি আর্টিকেলের লিংক করে দেন তাহলে পাঠক চাইলে সেই আর্টিকেলগুলো পড়তে পারবে। আরো পড়ুন/অবশ্যই পড়ুন সেকশনে সেই আর্টিকেলগুলোর লিঙ্ক করে দিতে পারেন। তবে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, একটি আর্টিকেলের মধ্যে সর্বোচ্চ তিন থেকে চারটি আরো পড়ুন সেকশন দেওয়া উচিত। তাহলে আপনার ব্লক পোস্ট এসইও(SEO)বজায় রাখবে।
আর্টিকেলের টাইটেল নির্বাচন -SEOফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম
আর্টিকেলের মধ্যে টাইটেল ব্যবহার করা উচিত। টাইটেল আপনার আর্টিকেলকে সম্পূর্ণ করে তোলে। টাইটেল পাঠ করে পাঠক আর্টিকেল সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা পাই। টাইটেল এর মাধ্যমে আপনার ব্লগ পোস্ট বা আর্টিকেলটি গুগলের র্যাংক করার চান্স থাকে। নিচে কিছু বসানোর দেয়া হলঃ
১.পোস্ট টাইটেল বা শিরোনাম ৪থেকে ১০শব্দের মধ্যে হতে হবে।
২.টাইটেল এর মধ্যে ১থেকে ২ টি মেইন ফোকাস কি ওয়ার্ড দিতে হবে ।
৩.আর্টিকেল লেখার সময় (?,-।)ছাড়া অন্য চিহ্ন ব্যবহার পড়া নিষেধ।
৪.শুধুমাত্র দুইটি ফোকাস কিওয়ার্ড এর মাঝখানে হাইফেন ব্যবহার করতে হবে।
আরো পড়ুনঃ
আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য বা ওয়ার্ড সংখ্যা।
যেহেতু google এ এই বিষয়ের উপর আগের থেকেই অনেক আর্টিকেল লেখা আছে, সেহেতু আপনাকে সবার চাইতে ইউনি এবং এক্রক্লুসিভ আর্টিকেল লিখতে হবে। অন্যরা যে পরিমাণ অথবা ওয়ার্ড এর আর্টিকেল লিখেছেন তার চেয়ে আপনাকে অবশ্যই বেশি লিখতে হবে। তাহলে আপনি খুব সহজে google র্যাংক করতে পারবেন। সাধারণত একটি আর্টিকেলের দৈর্ঘ্য বা আর্টিকেলে কিবোর্ড সংখ্যা সর্বনিম্ন ১৭০০থেকে ১৯০০ওয়ার্ড হওয়া উচিত।
SEOআর্টিকেল রাইটিং এর গুরুত্ব
আমরা সকলেই জেনেছি কিভাবে SEOআর্টিকেল লিখতে হয়। বর্তমান ডিজিটাল যুগে অনলাইন উপস্থিতি শক্তিশালী করার জন্য SEO আর্টিকেল রাইটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ভালোভাবে অপটিমাইজড আর্টিকেল সার্চ ইঞ্জিনে সহজে র্যাঙ্ক করে এবং লক্ষ্য করা পাঠকের কাছে দ্রুত পৌঁছে যায়। সঠিক কীওয়ার্ড নির্বাচন, আকর্ষণীয় শিরোনাম ও সাবহেডিং ব্যবহার করলে গুগলসহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন আর্টিকেলকে বেশি গুরুত্ব দেয়। এর ফলে ওয়েবসাইটে অর্গানিক ট্রাফিক বৃদ্ধি পায়, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্র্যান্ডের বিশ্বাসযোগ্যতা গড়ে তুলতে সহায়ক হয়।
SEO আর্টিকেল রাইটিং শুধু সার্চ ইঞ্জিনের জন্য নয়, পাঠকের জন্যও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যবহুল, সহজ ভাষায় লেখা ও গঠনগতভাবে পরিষ্কার আর্টিকেল পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখে। যখন পাঠক একটি আর্টিকেল থেকে প্রকৃত সমাধান পায়, তখন সে ওয়েবসাইটে বেশি সময় থাকে এবং ভবিষ্যতেও ফিরে আসে। এতে বাউন্স রেট কমে এবং সার্চ ইঞ্জিনে ওয়েবসাইটের মান আরও উন্নত হয়।
অনলাইন মার্কেটিং, ব্লগিং বা ডিজিটাল আয়ের ক্ষেত্রে SEO আর্টিকেল রাইটিং একটি কার্যকর কৌশল। সঠিকভাবে লেখা SEO কনটেন্ট বিজ্ঞাপন খরচ ছাড়াই নিয়মিত ভিজিটর এনে দেয়। এটি ব্যবসা, ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড কিংবা ফ্রিল্যান্সিং প্রোফাইলকে দ্রুত পরিচিত করে তোলে। তাই দীর্ঘস্থায়ী অনলাইন সাফল্যের জন্য SEO আর্টিকেল রাইটিং-এর গুরুত্ব অপরিসীম।তাই আপনাকে SEOপদ্ধতিতে বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম শিখতে হবে।
শেষ কথাঃSEO ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল লেখার নিয়ম।
আমার মতে SEO ফ্রেন্ডলি বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম অনুসরণ করলে আপনি একজন দক্ষ লেখক হিসেবে পরিচিতি পাবেন। আমরা যারা SEOলেখক, শুরুতে আমাদের সবারই সমস্যা হয়েছে। আপনার শুরুতে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু মনে রাখবেন যে কখনো হাল ছাড়া যাবে না। আপনি যদি কঠোর পরিশ্রম করেন তাহলে একদিন অবশ্যই একজন দক্ষ লেখক হয়ে উঠতে পারবেন।
যার অভিজ্ঞতা যত বেশি তার SEO রাইটিং এ দক্ষতা তত বেশি। অর্থাৎ আমাদের আর্টিকেলের বর্ণিত নিয়ম গুলো আপনার ওয়েবসাইট ব্লক পোষ্টের মধ্যে ব্যবহার করবেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ আপনার আর্টিকেল অবশ্যই র্যাংক করবে।


বক্কর ২৫ ডটকম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url