কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয়।
আমরা বিভিন্ন ধরনের আর্টিকেল লিখে আমাদের ওয়েবসাইটে যুক্ত করতে পারি। এবং আর্টিকেল লিখে মাসে লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারি। এখন হয়তো আপনার প্রশ্ন থাকতে পারে যে আমরা কি বাংলা আর্টিকেল লিখে মাসে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব? উত্তরটি হল- হ্যাঁ অবশ্যই আপনি বাংলা আর্টিকেল লিখে মাসে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। এবং আর্টিকেল হল একটি নির্দিষ্ট টপিককে বিশ্লেষণ করে লেখা এবং এই লেখার মাধ্যমে যাতে এই টপিকের ভাব প্রকাশ পাই।
সূচিপত্র :আর্টিকেল লেখার টিপস।
- আর্টিকেল লেখার নিয়ম।
- ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও আর্টিকেল লিখে রাখা।
- কিভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লেখা যায়।
- ফোকাস কিওয়ার্ড -কন্টেন্ট রাইটিং শেখার উপায়।
- ফিচার ইমেইজ যোগ করা নিয়ম ।
- নিয়মিত ব্লগে আর্টিকেল লিখবেন।
আর্টিকেল লেখার নিয়ম।
আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম হলো কোন আর্টিকেল বা পোষ্টের এ টাইটেল যেন ৫ থেকে ৯ শব্দের মধ্যে হয়। এবং পোষ্টের শিরোনাম পড়েই যেন বুঝা যায় পুরো পোস্টে কি থাকছে?প্রতি১০ জন পাঠকের মধ্যে ৮জন পাঠকই শুধুমাত্র পোস্ট শিরোনাম পড়ে পোস্ট না পড়ে কোন কোথাও চলে যাই যদি পোস্ট এর শিরোনাম তাদের পছন্দ না হয়। এজন্য পোস্ট এর শিরোনাম এমন ভাবে লিখতে হবে যে পাঠকদের পড়তে আকৃষ্ট করে।
এরপর প্রথমেই একটি ভূমিকা বাটন বাড়াতে হবে। ভূমিকা বাটনে ৫থেকে ৬টি শব্দ ব্যবহার করতে হবে। এবং ভূমিকা বাটনে অন্য রিলেটেড ফোকাস ব্যবহার করতে হয়। এরপর ৭থেকে ৮লাইন ভূমিকা লিখতে হয়। তারপর সূচিপত্র দিতে হয়। সূচিপত্রের মধ্যে ব্লগের সব সেকশন থাকে। যেখান থেকে পুরো ব্লগ মনিটরিং করা হয়।
ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও আর্টিকেল লিখে রাখা।
অনেকেই মূল ওয়েবসাইটে পোস্ট না লিখে শুরুতে বিভিন্ন জায়গায় লিখে রাখে। এরপর ওয়েব সাইটে পোস্ট করে। যেমন কেউ মোবাইল নোটপ্যাডে লিখে রাখে কেউ বা কম্পিউটারের মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লিখে রাখে। পরবর্তীতে সেটি কপি করে ওয়েবসাইটে গিয়ে পাবলিশ করে দেয়। এভাবে নোটপ্যাড এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো প্রোগ্রামে পোস্ট লিখে সেভ করে রাখলে পরবর্তীতে কপি করার সময় সেখানকার প্রিফরম্যাট ও কপি হয়ে যায়।
যার ফলে ওয়েবসাইটে লেখা পোস্ট করার পর অনেক সময় ফন্ট চেঞ্জ ও ছোট বড় জনিত বিভিন্ন ফরমোটিং সমস্যা দেখা দেয়। তাই আপনার প্রতি অনুরোধ রইল ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও পোস্ট লিখে সেভ করে রাখবেন না। যদি রাখেন তাহলে এডিটিং করার সময় অনেক সমস্যার সম্মুখীন হবেন। এবং এসইও করার সময় অনেক ট্যাগ খুঁজে পেতে আপনার অনেক সমস্যা হতে পারে।
কিভাবে একটি মানসম্পন্ন আর্টিকেল লেখা যায়।
আর্টিকেল রাইটিং শব্দটি ছোট হলেও এর তাৎপর্য অনেক, আর্টিকেল রাইটিং এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিতে হবে। একজন সফল এসইও এক্সপার্ট হিসেবে এ গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। তো চলুন দেখে নেই কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয়। প্রথমে আপনাকে একটি বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে তা হল আপনিকি বিষয়ে আর্টিকেল লিখবেন। সে বিষয়ের উপর আপনার পর্যাপ্ত ধারণা থাকতে হবে।
এবং আপনি যে বিষয়টি উপস্থাপন করতে তা সহজ সরল অর্থাৎ সকলেই যেনো আপনার ভাষা পেতে পারে এমন সহজ ফরমেটে লিখতে হবে। প্রয়োজনে আপনি যে বিষয়ে লিখবেন তার উপর গবেষণা করতে পারেন। যাতে আপনার আর্টিকেল লিখতে কোন সমস্যা না হয়। অনেকেই আছেন, যারা আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে আর্টিকেল সুন্দর করার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার সাহায্য নেন, সফটওয়্যার দিয়ে আর্টিকেল লিখলে আর্টিকেলের মানে ঠিক থাকে না।
যারা এসব সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন তারা আর্টিকেল পাবলিশ করার পর আর্টিকেলের মানের ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে যেন লেখার মানের কোন ব্যাঘাত না ঘটে। তবে আমি আর্টিকেল অন্য কোথাও লিখে রাখা একদম সমর্থন করিনা কারণ এতে করে আপনার জনপ্রিয়তা কমতে থাকবে।
ফোকাস কিওয়ার্ড -কন্টেন্ট রাইটিং শেখার উপায়।
ফোকাস কিওয়ার্ড হলো একটি পোস্ট এর প্রাণ বলতে পারেন। কারণ ফোকাস কিওয়ার ছাড়া একটা পোস্টকে কখনোই র্যাঙ্ক করানো যাবেনা। আপনার মনে হতে পারে ফোকাস কিবোর্ড কি এটা আবার কোথায় পাবো। দাঁড়ান আমি বলছি ফোকাস কী-ওয়ার্ড কি।
ধরুন, আপনি কিভাবে sscদেখতে হয় তা জানেন না। তাহলে কিভাবে জানবেন নিশ্য়ই গুগলে সার্চ করে। তাহলে গুগলে কি লিখে সার্চ করবেন। নিশ্চয়ই "আমার SSCরেজাল্ট কিংবা SSCরেজাল্ট দেখতে চাই। কিভাবে সার্চ দিবেন তাই না? হ্যাঁ এটাই হলো ফোকাস কিওয়ার্ড । তার মানে আপনি যে বিষয়ে পোস্ট লিখছেন Googol এ জানার জন্য মানুষ গুগলে যা লিখে সার্চ দিবে সেটাই ফোকাস কিওয়ার্ড। যেমন ধরুন আপনি আর্টিকেল লিখতে চাচ্ছেন এখন গুগলে গিয়ে কি লিখে সার্চ করবেন বলুন তো দেখি? আমি এ বিষয়ে কয়েকটি ফোকাস কি ওয়ার্ডের তালিকা নিচে দিচ্ছি :
- আর্টিকেল লেখার নিয়ম।
- কিভাবে আর্টিকেল লিখতে হয়।
- আর্টিকেল কিভাবে লিখব।
- আর্টিকেল লিখে মাসে লাখ টাকা আয়।
- কিভাবে আর্টিকেল লিখে ব্লগিং করতে হয়।
উপরের উল্লিখিত কিওয়ার্ড গুলো ফোকাস কিওয়ার্ড। একটি পোস্টে ১০-১৫বার ফোকাস কি ওয়ার্ড রাখা উচিত। ফোকাস কি ওয়ার্ড পোষ্টের বিভিন্ন জায়গায় রাখতে হবে। ফোকাস কি-বোর্ড কিন্তু যেখানে সেখানে বসানো যাবে না সবকিছু সাথে মিল রেখে বসাতে হবে। এখানে সেখানে লিখে রাখলে পাঠক ভাববে হয়তো আপনি ব্লগ লিখতে জানেন না তখন পোস্ট না পড়ে অন্য কোথাও চলে যাবে।
আরো পড়ুন :অনলাইনে পোশাক বিক্রয় করে আয় করা।
ফিচার ইমেইজ যোগ করা নিয়ম।
প্রত্যেকটি আর্টিকেলের বা পোস্টের ভিতরে ন্যূনতম দুটি ফিচার ইমেইজ রাখতে হবে। একটি পিকচার কোন পোস্টকে অনেক অর্থবোধক করে তোলে। পাঠকরা শুধু লাইনের পর লাইন পড়তে চাই না। প্রসঙ্গীত পিকচার ও দেখতে চাই। তাই পোষ্টে পিকচার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে কৃপণতা করবেন না। টাইটেল ফিচার ইমেজের টেক্সটেযেন ভিন্নতা থাকে।
নিয়মিত ব্লগে আর্টিকেল লিখবেন।
একটি ব্লগ ওয়েবসাইটে সপ্তাহে কম করে হলেও ৩থেকে ৪টি নিয়মিত আর্টিকেল লিখে পাবলিশ করবেন এই বিষয়ে অনেকেই জানেনা যে ব্লগে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ না করলে গুগল সার্চ থেকে ফ্রি ট্রপিক পাবার সম্ভাবনা কান সেই কমে যায়। কারণ গুগল চাই আপনি যেন প্রতিনিয়ত একটি ব্লগে নতুন নতুন আর্টিকেল নিয়মিত পোস্ট করুন। গুগলের নিয়ম যে ব্লগে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করে ব্লগ রেগুলার আপডেট রাখে সেগুলোকে বেশি বেশি ভিজিটর দেই।
এজন্য আপনি যদি ব্লগে গুগল সার্চ থেকে বেশি ভিজিটর পেতে চান, তাহলে ব্লগেএ সকল পুরনো আর্টিকেলগুলো নিয়মিত আপডেট রাখবেন। সেই সাথে নিয়মিত নতুন নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করবেন। যখন আপনি ব্লগে নতুন নতুন আর্টিকেল পাবলিশ করবেন তখন আপনার ব্লগে ভিজিটররা সময় নতুন নতুন বিষয় জানতে পারবে। এর ফলেই নতুন কিছু জানার জন্য ঐ সকল ভিজিটররা আপনারব্লগে বার বার আসবেন।
শেষ কথা -
প্রিয় পাঠক একটি ব্লগ ওয়েবসাইটে তখনই সফলতা পাবেন যখন ব্লগের আর্টিকেল গুলো লেখার নিয়ম অনুসরণ করবে এবং এর গুণগত মান ভালো থাকবে। আশা করি আজকের এই আর্টিকেল থেকে বাংলা আর্টিকেল লেখার নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারেছেন।
এতক্ষণ আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। যদি আপনি নিয়মিত এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট বিষয়ে জানতে চান তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটে ফলো করতে হবে। আজকের মত এখানেই শেষ করছি খোদা হাফেজ।


.webp)
বক্কর ২৫ ডটকম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url