দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন কত

 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজে চাহিদা বেশি দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজে চাহিদা বেশি এবং কোন কাজের বেতন কত। এ সম্পর্কে আপনি জানতে চাচ্ছেন।তাহলে আজকের আইডি কার্ড দিয়ে আপনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এখানে আলোচনা করেছি দক্ষিণ কোরিয়াতে কোন কাজের চাহিদা বেশি এ সকল বিষয়ে বিশেষ করে প্রবাসে যাওয়ার জন্য আগে ভালো করে কাজ জানতে হবে তাহলে সেই দেশে গিয়ে ভালো বেতনে চাকরি করা সম্ভব হবে। 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি


দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগতোভাবে  উন্নত একটি দেশ। ভাগ্যের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিকভাবে সফলতা ও স্ট্যাটাস লাইফ লিড করার জন্য মানুষ নিজের দেশ ছেড়ে প্রবাসে গিয়ে কষ্ট সহ্য করে কত উপার্জন করেন। সেজন্য দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন কত ? এছাড়া আরো জানতে পারবেন? দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা প্রসেসিং কিভাবে করতে হয়।  কিভাবে ভাষা শিখবেন। দক্ষিণ কোরিয়াতে কি ভাষায় কথা বলা হয় আরো ইত্যাদি সম্পর্কে 

পোস্ট  সূচিপত্রঃদক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন কত 

দক্ষিণ কোরিয়ার কোন কাজে চাহিদা বেশি 

দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে ম্যানুফ্যাকচারিং ও ফ্যাক্টরি কাজের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক্স, অটোমোবাইল, স্টিল ও প্লাস্টিক কারখানায় বিদেশি শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। এসব কাজে মেশিন অপারেটর, প্যাকেজিং ও কোয়ালিটি চেকিং পদের চাহিদা স্থায়ীভাবে রয়েছে। ভাষা কম জানলেও অনেক ক্ষেত্রে কাজ শেখার সুযোগ থাকে, যা নতুনদের জন্য সুবিধাজনক।

এছাড়া কনস্ট্রাকশন ও বিল্ডিং সেক্টরে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজন রয়েছে। রোড নির্মাণ, হাই-রাইজ বিল্ডিং, টানেল ও ব্রিজ প্রজেক্টে কাজের সুযোগ বেশি। রাজমিস্ত্রি, ওয়েল্ডার, ইলেকট্রিশিয়ান ও হেল্পার পদের চাহিদা তুলনামূলকভাবে বেশি এবং বেতনও ভালো। শারীরিকভাবে সক্ষম হলে এ খাতে দ্রুত কাজ পাওয়া যায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো এগ্রিকালচার ও ফিশারিজ সেক্টর। ফল চাষ, সবজি ফার্ম, পোলট্রি ও মাছ ধরার কাজে মৌসুমি ও স্থায়ী শ্রমিক লাগে। গ্রামীণ এলাকায় এই কাজগুলোর সুযোগ বেশি এবং থাকার ব্যবস্থা অনেক সময় মালিক পক্ষ দেয়। অভিজ্ঞতা থাকলে কাজ পাওয়া সহজ হয়।

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি


আরো রয়েছে  লেবারের ল অনুসরণ করে প্রতিটি শ্রমিকের প্রতিদিন নূন্যতম  ৮ঘন্টা কাজ করতে হয় অর্থাৎ মাসে ২৬ দিনে ২০৯ ঘন্টা কাজ করতে হয় । দক্ষিণ কোরিয়া গিয়ে একজন নতুন প্রবাসীর কাজ খুঁজে পেতে একটু সময় লাগলে ও পরবর্তী সময় কাজ পাওয়ার সহজ হয়। দক্ষিণ কোরিয়া গিয়ে প্রবাসীদের জন্য এদের বেশি নিম্নে ধারাবাহিক ভাবে। উল্লেখ করা হলো। 

  • ফ্যাক্টরি শ্রমিক কাজ
  • ইলেকট্রনিক কাজ
  • এগ্রিকালচার কাজ 
  • ওয়েলডিং এর কাজ 
  • নার্স এর কাজ 
  • পাইপ ফিটিং 
  • প্যাকেজিংয়ের কাজ 

কোরিয়ান ভাষা শিখতে হবে 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন কত সম্পর্কে আলোচনায় আমাদের প্রথমেই যানতে হবে শিখতে হবে সে সম্পর্কে। কোরিয়ান ভাষা খুব বেশি কঠিন নয় তবে প্রবাসীর কাছে নতুন সেজন্য মনে হবে অনেক কঠিন দক্ষিণ কোরিয়া এইচআরডি (হিউম্যান রিসোর্স ডিপার্টমেন্ট) জনশক্তি সময় খুব বেশি করে লক্ষ্য করে যে বিষয়টি এটি হল লোকজন কোরিয়ার ভাষা বুঝতে, বলতে ও লিখতে পারে কিনা এ বিষয়টা খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় । 

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এখন জানা গিয়েছে যে বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের একই পর্যায়ে ও জেলা পর্যায়ে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি টিটিসি (টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার) কোরিয়ান ভাষার সার্টিফিকেট কোর্স  করার সুযোগ আছে। বেসরকারি ভাবে বিভিন্ন বিভাগীয় বা জেলা পর্যায়ে শহরে কোরিয়ান ভাষা শেখার জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে কোরিয়ান ভাষা শিখে প্রশিক্ষণ নিয়ে পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে পারেন। এতে আপনার দক্ষিণ কোরিয়াতে ভিসা লাগাতে সুবিধা হবে। এবং অনেক বেতনের কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি মত বিনিময় করে সুবিধা পাবেন। 

দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার সুযোগ যাদের বেশি 

দক্ষিণ কোরিয়াতে যাওয়ার সুযোগ বেশি থাকে মূলত কারিগরি দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী, যেমন ফ্যাক্টরি ও ম্যানুফ্যাকচারিং শ্রমিক, শিপইয়ার্ড কর্মী, কৃষি ও ফিশারিজ খাতের শ্রমিকদের। পাশাপাশি যাদের কোরিয়ান ভাষার প্রাথমিক জ্ঞান, ভালো শারীরিক সক্ষমতা এবং বৈধ কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদের নির্বাচনের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি।দক্ষিণ করিয়া যাওয়ার জন্য যে সকল বাংলাদেশী সুযোগ-সুবিধা পাবেন সেগুলো নিম্নরূপ 

  • শিক্ষাগত যোগ্যতাঃএসএসসি পাস  বা সমমান বা ভোকেশনাল বা ডিপ্লোমার ডিগ্রী 
  • বয়স সীমাঃ১৮থেকে ৩৯ বছর বয়স /ভিজিটর ভিসার জন্য যেকোনো বয়সী যেতে পারবেন 
  • ভাষাঃকোরিয়ান ভাষা বোঝার লেখার ও বলার পারদর্শিতা আছে এমন ব্যক্তি।   
  • কোরিয়া প্রবাসীঃযারা আগে দক্ষিণ কোরিয়ায় ই ৯ভিসা  বা ই১০ ভিসায়গিয়ে গিয়ে সব মিলে পাঁচ বছরে বেশি সময় থাকে নিবা অবৈধভাবে  বসবাস করেনি এমন ব্যক্তি। 
  • পাসপোর্টঃকমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদি বৈধ ও হালনাগাদ এমআরপি (মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট) আছে এমন ব্যক্তি । 
  • অপরাধঃদেশের ফৌজদারি আইন মোতাবেকি কোন অপরাধের অপরাধী সাব্যস্ত হয়নি বাজিল জরিমান বাসায় শাস্তি হয়নি এমন ব্যক্তি। 
  • কারিগরি শিক্ষাঃকোরিয়ান ভাষার লাইসেন্স বা টিটিসি সার্টিফিকেট অবশ্যই লাগবে । 

দক্ষিণ কোরিয়াতে কোন কাজের বেতন কত 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি উকুন কাজের বেতন কতএ বিষয়টি আলোচনা এখন আমরা জেনে নিব দক্ষিণ কোরিয়ার কত সে সম্পর্কে। আমরা সকলেই জানি একটি দেশের ছোট বড় বিভিন্ন কোম্পানির বা প্রতিষ্ঠান থাকে কোম্পানির উপর নির্ভর করে কাজের ধরন অনুসারে শ্রমিকের যোগ্যতা অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা ভিত্তে বেতন কাঠামো বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী কয়েক জন শ্রমিকের সঙ্গে পরিবর্তনের সময়ের দক্ষিণ কোরিয়া একজন শ্রমিকের আনুমানিক মাসিকর বেতনের টাকা কথা উল্লেখ করা হলোঃ

কাজের নাম মাসিক গড় বেতন টাকায় (আনুমানিক)
নার্স বা সেবিকা ২ লক্ষ ৩০ থেকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার
ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার ৩লক্ষ৫০ থেকে ৪ লক্ষ ৫০হাজার
গ্রাফিক্স ডিজাইনার ২ লক্ষ ৫০ থেকে ৩ লক্ষ টাকা
ক্লিনার কর্মী ১ লক্ষ থেকে এক লক্ষ ৩০হাজার টাকা
রেস্টুরেন্ট কর্মী এক লক্ষ ৫০ হাজার থেকে ২ লক্ষ টাকা
হোটেল কর্মী ১লক্ষ ৩০থেকে হাজার থেকে১ লক্ষ ৫০ হাজার
কৃষিকাজ ১লক্ষ ৪০থেকে১লক্ষ ৭০হাজার
ইলেকট্রিশিয়ান ১ লক্ষ ৫০ থেকে ১ লক্ষ ৯০হাজার
ফ্যাক্টরির শ্রমিক ১ লক্ষ ১ লক্ষ ৪০ থেকে থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার
নির্মাণ শ্রমিক ১ লক্ষ ৪০ থেকে ১লক্ষ৮০ হাজার টাকা

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃবিভিন্ন কারণে বেতন কম বেশি হতে পারে । এগুলো ফিক্সড বেতন নয়,তবে বেতনের ধারণা মাত্র। 

দক্ষিণ কোরিয়ার সর্বনিম্ন বেতন কত 

দক্ষিণ কোরিয়া একটি উন্নত দেশ আরে উন্নত দেশ হওয়ার কারণেই এদেশের শ্রমিকদের জন্য রয়েছে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা  দক্ষিণ কোরিয়ায় বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ধরা হয় প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১০ হাজার কোরিয়ান ওন। এই হারে একজন কর্মী যদি মাসে সাধারণ সময় অনুযায়ী কাজ করেন, তাহলে মাসিক বেতন দাঁড়ায় প্রায় ২০ লাখ কোরিয়ান ওয়ান

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি


বাংলাদেশি টাকায় হিসাব করলে ১ কোরিয়ান ওয়ান প্রায় ০.০৮৫ টাকা ধরা হলে, মাসিক সর্বনিম্ন বেতন হয় আনুমানিক ১ লাখ ৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এই বেতন সরকার নির্ধারণ করে দেয়, যাতে কর্মীরা ন্যূনতমভাবে জীবনযাপন করতে পারেন।

আরো পড়ুনঃসিঙ্গাপুর কোন কাজের চাহিদা বেশি 

কোরিয়ান আবেদন করতে কি কি কাগজপএ লাগে 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি ও বেতন কত এই শিরোনামটি আলোচনায় দরকার দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসার আবেদন পদ্ধতি কুরিয়ার ভিসায় আবেদন কিভাবে করতে হয় ও কি কি কাগজপত্র লাগে। দক্ষিণ কোরিয়া ভিসা পাওয়ার জন্য তাদের নির্ধারিত ফর্মে আবেদন আবেদনটি লাইনে দুইভাবে করা যায়। এজন্য আবেদন করার সময় নিম্নোক্ত  সাথে ভালো হয়। 

  • জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট। 
  • কমপক্ষে ছয় মাস মেদ আছে এমন পাসপোর্ট পুরনকৃত ভিসার আবেদন ফরম। 
  • প্রয়োজনীয় সকল কাগজপাতির ফটোকপি ডবল (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) 
  • মেডিকেল রিপোর্ট ও পুলিশ কর্তৃক ভেরিফিকেশন  সার্টিফিকেট। 
  • বৈধ ডাইভিং লাইসেন্স (যদি থাকে) 
  • সদ্য তোলা পাসপোর্ট  সাইজ চার কপি ছবি । 
  • আর্থিক লেনদেন ব্যাংক সিস্টেম। 

উপরোক্ত সকল কাগজ গুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে দক্ষিণ কোরিয়া ভিসা প্রসেসিং ১২ থেকে ১৮ দিন সময় লাগে তবে ভুল থাকলে অনেক বিড়ম্বনা শিকার হতে হয়। এবং আপনাকে এর জন্য আগামপুর যদি থাকতে হবে। ফরম পূরণ করার সময় প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সঠিক নির্ভুল ভাবে দিতে হবে। 

দক্ষিণ কোরিয়ার  লটারি 

দক্ষিণ কোরিয়া EPS(Employment permit System) প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি  । দক্ষিণ   কোরিয়ার লটারি সাধারণত EPS বা চাকরি ভিত্তিক লটারি আকারে হয়। বিদেশি শ্রমিকরা আবেদন জমা দেন নির্দিষ্ট সময়ে, এবং আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে সিস্টেম অনুযায়ী এলোমেলোভাবে নির্বাচন করা হয়। এটি মূলত কৃষি, উৎপাদন বা কারখানা শিল্পের জন্য, যেখানে চাহিদা বেশি।

লটারির বিজয়ীরা পরবর্তী ধাপে কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা ও দক্ষতা যাচাই করতে হয়। সফল হলে তারা বৈধভাবে কোরিয়ায় যেতে পারেন এবং নির্বাচিত পেশার ভিত্তিতে কাজ করতে পারেন। লটারি পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও সরকারি নিয়ম অনুযায়ী পরিচালিত। দক্ষিণ কোরিয়া লটারি কবে ছাড়বে তা জানতে বোয়েসেল (BOESL)এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট https://boesl.gov.bd/নিয়মিত ভিজিট করে আপডেট তথ্য জানতে হবে। 

আরো পড়ুনঃবাহারাইন কোন কাজের চাহিদা বেশি 

দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারি ভাবে যাওয়ার পদ্ধতি 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজে চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন কত সম্পর্কিত আলোচনায় আমরা এখন জানবো এছাড়া কিভাবে গড়িয়া যাওয়া যায় সেই সম্পর্কে দক্ষিণ কোরিয়ায় লটারি ছাড়া যাওয়ার সবচেয়ে সাধারণ উপায় হলো শিক্ষাগত বা পেশাগত ভিসার মাধ্যমে যাওয়া। প্রথমে শিক্ষার্থীরা ছাত্র ভিসা (D-2) নিয়ে দেশটিতে আসতে পারে, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় বা কোর্সে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করা হয়। শিক্ষার্থীরা সময় মতো কাজ করার অনুমতি পেলে আয়ও করতে পারে। এছাড়া দক্ষ শ্রমিকরা কাজের ভিসা (E-7 বা অন্যান্য ক্যাটাগরি) নিয়ে যেতে পারে, যেখানে তাদের বিশেষ দক্ষতা বা অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এসব ভিসার জন্য প্রতিষ্ঠিত নিয়োগকর্তা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আমন্ত্রণপত্র প্রয়োজন।

অন্য একটি উপায় হলো ব্যবসা বা বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশটিতে প্রবেশ করা। ব্যবসায়িক ভিসা (D-8 বা D-9) গ্রহণ করে কেউ কোম্পানি স্থাপন বা বিনিয়োগ করতে পারে। এছাড়াও, প্রবাসী বা পরিবারিক সংযোগের মাধ্যমে কিছু ভিসা পাওয়া সম্ভব। এই প্রক্রিয়াগুলোতে সরকারি নিয়মকানুন মেনে আবেদন করতে হয় এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট ঠিকঠাক জমা দিতে হয়। লটারি ছাড়া এই উপায়গুলো নিয়মিত এবং নিরাপদে দক্ষিণ কোরিয়ায় যাওয়ার পদ্ধতি হিসেবে গণ্য হয়।

আরো পড়ুনঃ দুবাই ড্রাইভিং ভিসার বেতন কত 

দক্ষিণ কোরিয়া সম্মানজনক পেশা কোনটি 

দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের তাহিদা বেশি কোন কাজের বেতন কত এ সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আমরা জানবো  কোরিয়ায় সমাজে সবচেয়ে সম্মানিত পেশা হলো নার্স,  ডাক্তার ও সেবা করা । তারা মানুষের জীবন রক্ষা এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অত্যন্ত শ্রদ্ধা পান। বিশেষ করে সার্জন ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের সামাজিক মর্যাদা অনেক বেশি এবং তাদের সিদ্ধান্ত ও দক্ষতার উপর মানুষের আস্থা থাকে।

শিক্ষক ও আইনজীবী পেশারও যথেষ্ট সম্মান রয়েছে। শিক্ষকরা নতুন প্রজন্মের মানসিক ও বৌদ্ধিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কোরিয়ান কোন ল কলেজে আইন পেশা পড়াশোনা করে আইন পেশায় ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। আইনজীবী এবং বিচারক সমাজে ন্যায়বিচার ও আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় অবদান রাখেন। তবে সামাজিক মর্যাদায় ডাক্তারদের তুলনা সবচেয়ে উঁচু।

দক্ষিণ কোরিয়া টাকার মান কেমন 

দক্ষিণ কোরিয়া এশিয়া মহাদেশের একটি উন্নত অর্থ শক্তিশালী রাষ্ট্র। দেশটির মুদ্রার নাম ওয়ান ( WON)দক্ষিণ কোরিয়ার বৃহত্তম শহর ও রাজধানীর নাম সিউল (Seoul)দেশটি বাংলাদেশের যে উন্নত হলেও এর মুদ্রার মান বাংলাদেশী চাইতে কম। 

দক্ষিণ কোরিয়ার ১ওয়ান সমান ৮৫টাকা । সুতরাং বুঝতেই পারছেন দক্ষিণ কোরিয়ার টাকার মান তুলনায় কম ।  ১০০ওয়ান সমান ৮৫ হাজার টাকা।  

শেষ কথাঃদক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি ও কোন কাজের বেতন কত

আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করছি দক্ষিণ কোরিয়া বেশি, কোন কাজের বেতন কত  আবেদন কিভাবে করতে হয় দক্ষিণ কোরিয়া মুদ্রার মান কত দক্ষিণ কোরিয়া কোন কাজের চাহিদা বেশি দক্ষিণ কোরিয়ার ভাষা কিভাবে শিখতে হয় ইত্যাদি বিষয়গুলো 

আশা করি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের উপকারে আসবে আর্টিকেল সম্পর্কিত আপনার মতামত বা কোন জিজ্ঞাসা থাকলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাতে পারেন এরকম আরো পোস্টের আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সঙ্গেই থাকুন সবাই ভালো থাকবেন। ইনশাল্লাহ 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

বক্কর ২৫ ডটকম নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url

Md.Abu bokkor
আমি মোঃআবু বক্কর আপনাকে যে সকল বিষয়ে সার্ভিস প্রদান করব। আমি একজন প্রফেশনাল ডিজিটাল মার্কেটিং SEOএক্সপার্ট এবং অনলাইন ইনকাম ও ব্লগিং লাইফ স্টাইল ও তথ্য প্রযুক্তি প্রযুক্তি নিয়ে লেখালেখি করে থাকি।